Android ও iOS দুটোতেই চলে। হালকা, দ্রুত এবং বাংলাদেশের নেটওয়ার্কে মসৃণভাবে কাজ করে। লাইভ অডস থেকে শুরু করে টাকা তোলা পর্যন্ত সব কিছু এক অ্যাপে।
Crickex Partner অ্যাপ শুধু একটি বেটিং অ্যাপ নয় — এটি আপনার পুরো গেমিং অভিজ্ঞতাকে মুঠোয় এনে দেয়।
মাত্র ০.৮ সেকেন্ডে লোড হয়। দুর্বল নেটওয়ার্কেও মসৃণভাবে কাজ করে। ২G সংযোগেও লাইভ অডস দেখা যায়।
ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইমে অডস দেখুন এবং বেট করুন। প্রতিটি বলের পর অডস আপডেট হয়।
ম্যাচ শুরুর আগে, গোল বা উইকেট পড়লে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পান। কোনো সুযোগ মিস হবে না।
256-bit SSL এনক্রিপশন ও দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা। আপনার অ্যাকাউন্ট ও টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
পুরো অ্যাপটি বাংলায় ব্যবহার করা যায়। মেনু, বেট স্লিপ, হেল্প সেন্টার — সব বাংলায়।
বিকাশ, নগদ, রকেটে মাত্র কয়েক মিনিটে জমা ও উত্তোলন। ব্যাংক ট্রান্সফারও সমর্থিত।
রাতের বেলা চোখের আরামের জন্য ডার্ক মোড চালু করুন। এক ট্যাপেই পরিবর্তন করা যায়।
আপনার সব বেটের ইতিহাস দেখুন। কোন ধরনের বেটে বেশি জিতেছেন তা বিশ্লেষণ করুন।
মাত্র তিনটি ধাপে Crickex Partner অ্যাপ ইনস্টল করুন।
Crickex Partner-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট খুলুন। মোবাইল ব্রাউজার থেকে সহজেই অ্যাপ পেজে যাওয়া যায়।
Android APK ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। ফোনের সেটিংসে "Unknown Sources" চালু থাকলে সরাসরি ইনস্টল হবে।
ইনস্টল শেষে অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন বা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন। ব্যস, শুরু হয়ে গেল!
iPhone বা iPad-এ Safari ব্রাউজার থেকে Crickex Partner-এর অ্যাপ পেজে যান।
Share বাটনে ট্যাপ করুন এবং "Add to Home Screen" বেছে নিন। নামটি ঠিক করে Add করুন।
হোম স্ক্রিনে Crickex Partner আইকন দেখতে পাবেন। ট্যাপ করলে ঠিক নেটিভ অ্যাপের মতো খুলবে।
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং মানুষ এখন সবকিছু মোবাইলে করতে পছন্দ করেন। ক্রিকেট দেখা, বন্ধুদের সাথে কথা বলা, কেনাকাটা — সবই হাতের মুঠোয়। তাই Crickex Partner তৈরি করেছে এমন একটি অ্যাপ যা বাংলাদেশের বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে।
অনেক বেটিং অ্যাপ আছে যেগুলো বিদেশি প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি — বাংলাদেশের ধীর নেটওয়ার্কে সেগুলো ঠিকমতো কাজ করে না, পেমেন্ট সিস্টেম জটিল এবং ভাষাও ইংরেজি বা হিন্দি। Crickex Partner অ্যাপ এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই এসেছে।
জানুন: Crickex Partner অ্যাপটি মাত্র ২৪ MB — যেকোনো Android ফোনে ইনস্টল করা যায়, এমনকি পুরনো ফোনেও।
ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় ইন্টারনেট স্পিড সন্তোষজনক না। কুমিল্লা, রাজশাহী, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ — সব জেলার ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে Crickex Partner অ্যাপটি অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। অ্যাপটি ছবি ও অ্যানিমেশন যতটা সম্ভব কম রেখে কনটেন্ট দ্রুত লোড করে। এমনকি 2G বা 3G নেটওয়ার্কেও লাইভ অডস দেখা ও বেট করা সম্ভব।
ডেস্কটপের তুলনায় মোবাইলে লাইভ বেটিং অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচ দেখতে দেখতে, বাসে যেতে যেতে বা রান্নাঘরে বসে — যেকোনো সময় বেট করা যায়। Crickex Partner অ্যাপে লাইভ স্কোরকার্ড ও অডস একই স্ক্রিনে দেখা যায়, আলাদা আলাদা ট্যাব সুইচ করতে হয় না। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বাঁচে এবং সুযোগ মিস হওয়ার ভয় থাকে না।
প্রতিটি বলের পর অডস আপডেট হওয়ার গতিটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। Crickex Partner-এর সার্ভার বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় লেটেন্সি খুব কম। অর্থাৎ বড় উইকেট পড়ার পরে অডস পরিবর্তনের আগেই আপনি সেই মুহূর্তটা কাজে লাগাতে পারেন।
বাংলাদেশে বিকাশ এবং নগদ এখন সবার ফোনে আছে। Crickex Partner অ্যাপে জমা দেওয়ার জন্য শুধু আপনার বিকাশ বা নগদ নম্বর দিলেই হয়। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কার্ড লাগে না। মাত্র ১-২ মিনিটে টাকা জমা হয়ে যায় এবং জেতা টাকা উত্তোলনেও একই সুবিধা।
অ্যাপে পেমেন্ট ইতিহাস সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষিত থাকে। কখন জমা দিয়েছেন, কত তুলেছেন, কোন বেটে কত জিতেছেন — সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যায়। এটা আপনার বাজেট পরিচালনায় অনেক সাহায্য করে।
Crickex Partner অ্যাপে লগইন করতে পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি OTP যাচাইকরণ আছে। ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আনলক সাপোর্ট করে, তাই প্রতিবার পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হয় না। আপনার অ্যাকাউন্টে অন্য ডিভাইস থেকে লগইন হলে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন আসে।
সব লেনদেন 256-bit SSL দিয়ে এনক্রিপ্টেড। অর্থাৎ আপনার ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সম্পূর্ণ গোপন থাকে। Crickex Partner কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে ব্যবহারকারীর তথ্য শেয়ার করে না।
অ্যাপ ব্যবহারকারীরা কিছু এক্সক্লুসিভ অফার পান যা শুধু ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় না। প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, ম্যাচ বোনাস এবং বিশেষ ইভেন্টের নোটিফিকেশন অ্যাপে সবার আগে আসে। নতুন নিবন্ধনকারীরা অ্যাপ দিয়ে প্রথম ডিপোজিটে অতিরিক্ত বোনাস পান।
ঈদ, পহেলা বৈশাখ বা বিশ্বকাপের সময় Crickex Partner বিশেষ অ্যাপ-অনলি অফার দেয়। এই সুযোগগুলো সাধারণত সীমিত সময়ের জন্য থাকে, তাই নোটিফিকেশন চালু রাখলে কোনো অফার মিস হবে না।
দুটিরই আলাদা সুবিধা আছে। তুলনা দেখুন।
| ফিচার | মোবাইল অ্যাপ | ওয়েবসাইট |
|---|---|---|
| লোড গতি | অনেক দ্রুত | মাঝারি |
| পুশ নোটিফিকেশন | ✓ | ✗ |
| অফলাইন বেট স্লিপ | ✓ | ✗ |
| ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন | ✓ | ✗ |
| অ্যাপ-এক্সক্লুসিভ বোনাস | ✓ | ✗ |
| ডার্ক মোড | ✓ | ✓ |
| লাইভ অডস | ✓ | ✓ |
| ব্যাটারি ব্যবহার | অপ্টিমাইজড | বেশি |
সত্যিকারের ব্যবহারকারীরা কী বলছেন।
"অ্যাপটা সত্যিই দারুণ। আগে ল্যাপটপ খুলে বেট করতাম, এখন মোবাইলেই সব করি। লাইভ অডস এত দ্রুত আপডেট হয় যে কোনো সুযোগই মিস হয় না।"
"বিকাশে টাকা জমা দিতে আগে অনেক ঝামেলা হতো। এই অ্যাপে মাত্র ৩০ সেকেন্ডে জমা হয়ে যায়। বাংলা ইন্টারফেস থাকায় বুঝতেও সহজ।"
"আমার পুরনো Walton ফোনেও ভালোভাবে চলে। গ্রামে নেটওয়ার্ক দুর্বল কিন্তু অ্যাপ ঠিকঠাক লোড হয়। নোটিফিকেশন ফিচারটা খুব কাজের।"
"IPL সিজনে অ্যাপটা ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট করা, জেতার পর সাথে সাথে নগদে তুলে নেওয়া — পুরো প্রক্রিয়াটা অনেক স্মুথ।"
অ্যাপ নিয়ে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর।